পাবনায় কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ পাবনায় কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ – দৈনিক পাবনা
  1. admin@dainikpabna.com : admin :
  2. rakibhasnatpabna@gmail.com : Rakib Hasnat : Rakib Hasnat
সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শিমুল বিশ্বাসের মুক্তির দাবিতে পাবনায় বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল  শিক্ষার্থীদের নিকট সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা শিক্ষকদের দায়িত্ব- ডেপুটি স্পীকার জাতিকে এগিয়ে নেয়ার পথে ইতিহাস, ঐতিহ‌্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জরুরী- ডেপুটি স্পীকার আগামী রোববার পাবনার খাজানগরে মহাপবিত্র ইছালে ছাওয়াব মাহফিল!  কাজিরহাটকে যুক্ত করে পদ্মা-যমুনার মোহনায় ওয়াই আকৃতির সেতু বা টানেলের প্রস্তাব রূপপুরের পণ্যবোঝাই রুশ জাহাজ চীনের পথে পাবনার সেই ঘটনার আসামিরা ঘুরছে প্রকাশ্যে, বাদীরা আতঙ্কে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, এ,কে,এম, রেজাউল হক আর নেই ঐতিহ্যবাহী চড়াডাঙ্গা দরবার শরীফে ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তের দাবিতে দুবলিয়া স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

পাবনায় কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ৫ মাস আগে
  • ৫৭ বার পঠিত

পাবনার শহীদ এম. মুনসুর আলী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সামাদ খানের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা। একই সঙ্গে তার অবপসারণ ও নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মবিরতি পালন করেন তারা। পাশেই শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ব্যানারে পালিত হয় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ।

কর্মসূচিতে অংশ নেয়া কর্মচারিরা বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে পদে রযেছেন। তিনি ৬ মাসের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না অথচ বছরের পর বছর ধরে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠি পাঠিয়ে স্বেচ্ছায় অথবা গভর্নিং বডির মাধ্যমে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এই চিঠিকেও তিনি তোয়াক্কা না করে পদ ধরে রেখেছেন।’

তারা বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরযুক্ত কোনও পত্র বা আবেদন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গৃহিত হয় না, ফলে কলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বেতন-ভাতা এবং ৪১ জন শিক্ষকের পদোন্নতি আটকে আছে। আমরা এই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মানবতার জীবন-যাবন করছি। এছাড়াও তিনি কলেজে নিয়মিত আসেন না। গুটি কয়েক শিক্ষক তার অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তাদের দাপটে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আতঙ্কে থাকেন।’

কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের কলেজে আগে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা হতো। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে আমাদের তেমন ক্লাস-পরীক্ষা হয় না। কলেজের সামগ্রিক ফলাফল ভয়াবহ। ক্যাম্পাসের ভেতর বহিরাগতরা প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি করেন। কলেজের মাঠ যেন গরু-ছাগলের অভয়াশ্রম। আমাদের নিয়মিত অধ্যক্ষ নেই, আবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষও আসেন না। ফলে এসব দেখার কেউ নেই।’

জাতীয় চার নেতার একজন শহীদ এম. মুনসুর আলী। ফলে কলেজের সুনামের সঙ্গে তার নামটিও জড়িত। ফলে মহান এই জাতীয় নেতার সম্মান রক্ষার্থে কলেজের এমন পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়। অতিদ্রুত কলেজটি জাতীয়করণ এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের মাধ্যমে শিক্ষা সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসব কর্মসূচিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এই এইচ এম গোলাম মোস্তফা কামাল, ভূগোল ও পরিবেশের বিভাগীয় প্রধান আল-আমিন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ঈসমাইল হোসেন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাকসুদা আক্তার, প্রধান অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, এমএলএস ইকবাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সামাদ খান বলেন, ‘আমাদের গুটি কয়েক কর্মচারিরা কারো উস্কানিতে এসব কর্মসূচি পালন করছেন। আর শিক্ষকদের দাবিগুলো ঠিক নয়, আমার বিরুদ্ধে দেয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছি, সেটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।’

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক পাবনা
Themes Customized By Shakil IT Park