তিন বছর পর শিশু দ্বীন ইসলাম হত্যার রহস্য উন্মোচন তিন বছর পর শিশু দ্বীন ইসলাম হত্যার রহস্য উন্মোচন – দৈনিক পাবনা
  1. admin@dainikpabna.com : admin :
  2. rakibhasnatpabna@gmail.com : Rakib Hasnat : Rakib Hasnat
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
৮ বছর আগে মারা গেছেন, প্রধান আসামি করে ভূমি কর্মকর্তার মামলা! চরতারাপুরে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামী আমিরুল গ্রেপ্তার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নে দৃষ্টিনন্দন ‘গোলঘর’ শুভ উদ্বোধন  পাবনায় দপ্তরীর হাতে প্রাথমিক শিক্ষক লাঞ্চিত পাবনা বিআরটিএ অফিসে দালালদের আখড়া, টাকা ছাড়া ফাইল জমা হয়না! শরীফার গল্প’ নিয়ে যে সিদ্ধান্ত হলো সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে বিসিএস ক্যাডার হ্যাপী নিখোঁজ সুজানগরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহিনুজ্জামান শাহীনের উঠান বৈঠক পাবনায় ব্র্যাক স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট-ফুটবল প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ পাবনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন

তিন বছর পর শিশু দ্বীন ইসলাম হত্যার রহস্য উন্মোচন

দৈনিক পাবনা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ২ বছর আগে
  • ২০০ বার পঠিত

খুলনার তেরখাদা উপজেলার লস্করপুর গ্রামের শিশু দ্বীন ইসলামকে (১১) হত্যার তিন বছর পর মামলার দুই আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। গ্রেপ্তার আসামিদের কাছ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্যও উদঘাটন করতে পেরেছে সংস্থাটি।

আসামিরা হলেন- তেরখাদা লস্করপুর গ্রামের মো. কালন শেখের ছেলে মো. মুছা শেখ ও একই এলাকার ইমলাক শেখের ছেলে মো. হানিফ শেখ।

রোববার (১০ এপ্রিল) দুপুরে খুলনা পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তেরখাদা উপজেলার লস্করপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে দ্বীন ইসলাম। বিভিন্ন খাল থেকে মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করত তারা। দ্বীন ইসলাম মাঝে মধ্যে বাবাকে মৌসুমি ফল বিক্রিতে সাহায্য করত।

 

২০১৯ সালের ২২ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে একটি খালে সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় দ্বীন ইসলাম। ষষ্ঠ হওয়ায় ওই যুবকরা তাকে বিদ্রুপ করতে থাকে। দ্বীন ইসলাম তাদের উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করতে থাকে। এটি সহ্য করতে না পেরে মুছা শেখ তাকে লক্ষ্য করে একটি ঢিল নিক্ষেপ করে।

পরে উপস্থিত সবাই দ্বীন ইসলামের মাথায় ইট নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে সে জ্ঞান হারিয়ে খালের পানিতে ডুবে যায়। আসামিরা ঘটনাটি চাপা দেয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে স্থানীয় মুলিশিয়া খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দ্বীন ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়। কিন্তু ময়নাতদন্তে তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশ ভিকটিমের বাবাকে মামলা করতে বললে তিনি মামলা করেননি। পরে তেরখাদা থানার এসআই মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দ্বীন ইসলামের পিতা ন্যায় বিচারের জন্য আদালতে প্রার্থনা করেন।

২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই গ্রহণ করে। মামলাটি গ্রহণের পর ওই এলাকায় বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করে পিবিআই। পরে এ মামলার সন্দেহভাজন দুই আসামি উতর আলী সরদার ও ফেরদৌস শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকেও গুরত্বপূর্ণ তথ্য বের করা হয়।

তবে মুছা ও হানিফ হত্যার খবর জানতে পেরে এলাকা ত্যাগ করে চট্টগ্রামে অবস্থান করে। এ দুজনেরই নিজস্ব কোনো মোবাইল ছিল না। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের নম্বর ব্যবহার করত তারা। একটি সোর্সের মাধ্যমে পুলিশ মুছার সন্ধান পায়। চট্টগ্রামের পিবিআইয়ের সহায়তায় প্রথমে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

মুছাকে গ্রেপ্তারের পর এ মামলার অপর আসামি মো. আবু হানিফকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তারা দুজনই আদালতে এ হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। মামলার অপর আসামি হানিফ সরদার পলাতক রয়েছে। এ নিয়ে এ মামলায় মোট চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক পাবনা
Themes Customized By Shakil IT Park